শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী আজ।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার প্রশ্নে তিনি ছিলেন আপসহীন এক রাষ্ট্রনায়ক। একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে দাঁড় করানোর পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশের নিজস্ব পরিচয়, আত্মমর্যাদা ও স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতিকে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছিলেন। বিশেষ করে আঞ্চলিক প্রভাব ও ভারতীয় আগ্রাসনের আশঙ্কার বিপরীতে বাংলাদেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার রাজনৈতিক অবস্থান তাকে সাধারণ মানুষের কাছে আলাদা মর্যাদা এনে দেয়।
একজন সংস্কারপন্থী মানুষ হিসেবে আমি বিশ্বাস করি বাংলাদেশের রাজনীতিতে ব্যক্তি নয় বরং দেশের স্বার্থই হওয়া উচিত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। সেই জায়গা থেকে শহীদ জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রচিন্তা, আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার প্রচেষ্টা এবং জাতীয়তাবাদী দর্শনের অবদান ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে।
তার রাজনৈতিক জীবনের সমালোচনা ও বিতর্ক থাকতেই পারে কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীন সত্তা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার প্রশ্নে তার ভূমিকা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও দোয়া।
আল্লাহ কিংবদন্তিকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন।




















