ঢাকা ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাবার সাথে কৃষি কাজ করা মেয়েটি এখন এএসপি।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

 

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার মধ্যনগর থানার দক্ষিণ বংশিকুন্ডা ইউনিয়নের ঘাসী গ্রামের কৃষক বাবার বড় মেয়ে ডলি রানী সরকার।
অভাবের সংসার ছিল। ছোটবেলায় হাওরে বাবার সঙ্গে কৃষিকাজ করেছেন। কিন্তু দারিদ্র্যতা ডলি রানীকে পড়াশোনা থেকে দূরে সরাতে পারে নি। অনেক কষ্টের বিনিময়ে স্কুল কলেজ শেষ করে চান্স পেয়ে যান সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। এরপর শুরু হয় জীবনের নতুন আরেক অধ্যায়। সংসারের হাল ধরার জন্য দিনে রাতে ৬টি টিউশনি করত। সমানভাবে পড়াশোনাও চালিয়ে গিয়েছিল। অবশেষে রসায়নে অনার্স-মাস্টার্সে ফার্স্টক্লাস অর্জন করেন।

জীবন যুদ্ধে সংগ্রাম করতে করতে অদম্য মেধাবী সেই ছাত্রীটি এখন বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:৫৫:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫
১৫৫ বার পড়া হয়েছে

বাবার সাথে কৃষি কাজ করা মেয়েটি এখন এএসপি।

আপডেট সময় ১২:৫৫:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫

 

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার মধ্যনগর থানার দক্ষিণ বংশিকুন্ডা ইউনিয়নের ঘাসী গ্রামের কৃষক বাবার বড় মেয়ে ডলি রানী সরকার।
অভাবের সংসার ছিল। ছোটবেলায় হাওরে বাবার সঙ্গে কৃষিকাজ করেছেন। কিন্তু দারিদ্র্যতা ডলি রানীকে পড়াশোনা থেকে দূরে সরাতে পারে নি। অনেক কষ্টের বিনিময়ে স্কুল কলেজ শেষ করে চান্স পেয়ে যান সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। এরপর শুরু হয় জীবনের নতুন আরেক অধ্যায়। সংসারের হাল ধরার জন্য দিনে রাতে ৬টি টিউশনি করত। সমানভাবে পড়াশোনাও চালিয়ে গিয়েছিল। অবশেষে রসায়নে অনার্স-মাস্টার্সে ফার্স্টক্লাস অর্জন করেন।

জীবন যুদ্ধে সংগ্রাম করতে করতে অদম্য মেধাবী সেই ছাত্রীটি এখন বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।