বাহুবলের চন্দ্রছড়িতে পিতাপুত্রের অত্যাচারে অতিষ্ঠ প্রবাসী ২ ভাইর পরিবার। কোটি টাকার সম্পত্তি নিয়েছে দখলে
পিতা পুত্রের অত্যাচারে অতিষ্ঠ আমেরিকা প্রবাসী একটি পরিবার। তারা প্রবাসে থাকায় বাড়ীঘর জায়গা জমি দখল,করে লক্ষ লক্ষ টাকার সেগুন গাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ বিক্রি করে পিতা পুত্র টাকাগুলো আত্মাসাৎ করেছে।এমনকি তাদের জমির দলিলপত্রও লোকিয়ে নিজের কাছে রেখেছে তারা।ফলে আমেরিকা প্রবাসীরা সরকারকে খাজনাও দিতে পারছেন না।
তারা এমনই শক্তিশালী যে তাদের আত্নীয় স্বজন,গ্রামের মুরুব্বিদের কথা শুনতেও নারাজ। বিষয়টি নিয়ে বেশ কয়েকবার বৈঠকে বসলেও তারা কাহরও কথা শুনেননি। পাল্টা আমেরিকা প্রবাসী দুই ভাই ও বোনদের প্রতি করে অত্যাচার।
পিতাপুত্র চক্রটি ভাইদের পাশাপাশি আপন বোনদের সম্পত্তিও রেখেছে নিজের আয়ত্বে।
বাড়ির লোকজন জানান তারা সন্তাসী প্রকৃতির লোক, তারা কেউর কথা শুনে না। বর্তমানে তার ২য় ছেলে সৈয়দ তৌরিদ হোসেন দেশে এসে যৌথ সম্পত্তি থেকে গাছ ও মাছ বিক্রি করছে।
মামলা সুত্রে জানা যায়, বাহুবল উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের চন্দ্রছড়ি গ্রামের মৃত সৈয়দ আব্দুল মোতালিবের পুত্র সৈয়দ আজিজুর হোসেন ও তারপুত্র সৈয়দ তারেক হোসেন একই পরিবারের আমেরিকা প্রবাসী সৈয়দ আজমল হোসেন ও তার ছোট ভাই সৈয়দ শাহান মিয়ার বাড়ীঘর,জায়গা জমি দখল করে নিয়েছেন। তাছাড়া তারা প্রবাসে থাকার সুবাদে তাদের জমির লক্ষ লক্ষ টাকার গাছ চুরি করে বিক্রি করেছেন।
সম্প্রতি সৈয়দ আজমল হোসেন আমেরিকা থেকে দেশে এসে এসবের প্রতিবাদ করলে তার উপর নেমে আসে সৈয়দ আজিজুর হোসেন ও তারপুত্র সৈয়দ তারেক হোসেন ও তাদের লালিত বাহিনীর অত্যাচার। তাকে প্রাণে হত্যার জন্য মাথায় আঘাত করলে তিনি অজ্ঞান অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। মাস খানেক চিকিৎসা শেষে তিনি বাড়িতে ফিরেন।
এ ব্যাপারে সৈয়দ আজমল হোসেনের স্থী পিতা পুত্র সহ তাদের লাটিয়াল বাহিনীকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। কিছুদিন সৈয়দ তারেক হোসেন জেল হাজত কাটলেও আবারোও তারা বেপরোয়া হয়ে তাদের বসত ঘর কেয়ারটেকারকে হুমকি দিয়ে বের করে দখল করে নেন। এবার অসহায় পরিবার বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লেখিত অভিযোগ দিলে তিনি বাহুবল মডেন থানার পুলিশের মাধ্যমে ঘরটি উদ্ধার করে দেন।
এ ব্যাপারে সৈয়দ আজমল হোসেন ও তার পরিবারের লোকজন জানান,সৈয়দ আজিজুর হোসেন তার আপন ভাই। তিনি তাদের আমেরিকাতে নিয়েছিলেন। তারপরও কৃতজ্ঞতা স্বীকার না করে তারা তার শরিল থেকে রক্ত জড়িয়েছে। তাকে প্রাণে হত্যার চেষ্টা করেছে। দুতলা বাড়ি, বোনসহ তাদের জায়গা জমি নিজের আয়ত্বে রেখেছে।
পিতাপুত্রের ভয়ে এই পরিবারটি আমেরিকা থেকে আসতেও ভয় পাচ্ছে বলে তিনি জানান।
এ ব্যাপারে তারা প্রবাসী কল্যান মন্ত্রনালয় ও প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছে।
















