ঢাকা ০১:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুনারুঘাটে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ২ সহোদর আটক

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

 

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই সহোদরকে আটক করেছে পুলিশ।
আটক সহোদর উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের উসমানপুর গ্রামের আব্দুস শহিদ বুদিয়ার ছেলে আবু সিদ্দিক (৪০) ও আবু তাহের (৩৬)।
রবিবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চুনারুঘাট থানার ইন্সপেক্টর( তদন্ত) শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করেন।
পুলিশ জানায় ধর্ষিতা নারী মানসিক ভারসাম্যহীন এবং ওই নারীকে দীর্ঘদিন একটি চক্র পালাক্রমে ধর্ষন করে আসছিল। লাগাতার ধর্ষণের কারণে ভিকটিম প্রতিবন্ধী নারী বর্তমানে সাত মাসের গর্ব অবস্থায় রয়েছে।

ভিকটিমের পিতা আব্দুল খালেক বলেন আমার মেয়ে ধর্ষণের শিকার হলে, আমি এলাকার কয়েকজন সমাজপতিদের কারণে আইনের আশ্রয় নিতে পারিনি। তারা আমাকে বিচার সালিশের মাধ্যমে উক্ত ঘটনা শেষ করে দিবে বলে আশ্বাস প্রদান করেন।
এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চুনারুঘাট থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শফিকুর রহমান বলেন, ভিকটিম এবং ভিকটিমের পিতা থানায় আসার সাথে সাথে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছি। আমরা দুইজনকে গ্রেফতার করতে পেরেছি। তাদের বিরুদ্ধে ভিকটিমের পিতা আব্দুল খালেক বাদী হয়ে চুনারুঘাট থানায় তিন জনের নাম উল্লেখ করে আরো অজ্ঞাতনামা কয়েকজন আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।’
মামলা নং-০৭/২৫

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০১:১১:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫
১৭০ বার পড়া হয়েছে

চুনারুঘাটে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ২ সহোদর আটক

আপডেট সময় ০১:১১:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫

 

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই সহোদরকে আটক করেছে পুলিশ।
আটক সহোদর উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের উসমানপুর গ্রামের আব্দুস শহিদ বুদিয়ার ছেলে আবু সিদ্দিক (৪০) ও আবু তাহের (৩৬)।
রবিবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চুনারুঘাট থানার ইন্সপেক্টর( তদন্ত) শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করেন।
পুলিশ জানায় ধর্ষিতা নারী মানসিক ভারসাম্যহীন এবং ওই নারীকে দীর্ঘদিন একটি চক্র পালাক্রমে ধর্ষন করে আসছিল। লাগাতার ধর্ষণের কারণে ভিকটিম প্রতিবন্ধী নারী বর্তমানে সাত মাসের গর্ব অবস্থায় রয়েছে।

ভিকটিমের পিতা আব্দুল খালেক বলেন আমার মেয়ে ধর্ষণের শিকার হলে, আমি এলাকার কয়েকজন সমাজপতিদের কারণে আইনের আশ্রয় নিতে পারিনি। তারা আমাকে বিচার সালিশের মাধ্যমে উক্ত ঘটনা শেষ করে দিবে বলে আশ্বাস প্রদান করেন।
এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চুনারুঘাট থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শফিকুর রহমান বলেন, ভিকটিম এবং ভিকটিমের পিতা থানায় আসার সাথে সাথে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছি। আমরা দুইজনকে গ্রেফতার করতে পেরেছি। তাদের বিরুদ্ধে ভিকটিমের পিতা আব্দুল খালেক বাদী হয়ে চুনারুঘাট থানায় তিন জনের নাম উল্লেখ করে আরো অজ্ঞাতনামা কয়েকজন আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।’
মামলা নং-০৭/২৫