জাতীয় উদ্যানে সাতছড়ি মায়া হরিণের দেখা।
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে মায়া হরিণের দেখা মিলেছে। এর আগে উদ্যানে সড়কের পাশে প্রায় বানরের আনাগোনা দেখা গেলেও এবার হরিণ দেখা যাওয়ায় পর্যটক ও স্থানীয়দের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে।
সোমবার সকালে পূবালী ব্যাংক কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ রায় অফিসে যাওয়ার সময় মায়া হরিণ দেখতে পেয়ে তার নিজের মোবাইলে ক্যামেরা বন্দী করেন। যা পরিবর্তিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে।
প্রকৃতিপ্রেমীরা বলছেন, এ ঘটনা বনের জীববৈচিত্র্যের জন্য ইতিবাচক সংকেত। তারা মনে করছেন, এভাবে বন্যপ্রাণীর উপস্থিতি বাড়তে থাকলে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান আরও সমৃদ্ধ হবে।
বনের গাছপালা ও প্রাণী সুরক্ষায় সকলকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রকৃতিপ্রেমীরা।
প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বনাঞ্চল সংরক্ষণ করা এখন সময়ের দাবি। সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের রেঞ্জার আনোয়ার হোসেন বলেন আমি নতুন এখানে যোগদান করেছি, ইতিমধ্যেই আমি জানতে পেরেছি এখানে মায়া হরিণের বিচরণ রয়েছে, মায়া হরেন রক্ষায় আমরা সতর্ক রয়েছি।
বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র নিয়ে কাজ করা চুনারুঘাটের গণমাধ্যম কর্মী আব্দুল জাহির মিয়া বলেন সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে মায়া হরিণের দেখা পাওয়া বন্যপ্রাণীর জন্য শুভ লক্ষণ। সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে বিভিন্ন ধরনের পশু পাখি রয়েছে এরমধ্যে মায়া হরিণ অন্যতম, বিকেল হলেই মায়া হরিণের ডাক পাহাড় থেকে বেঁসে আসে এতে করে বোঝা যায় এই পাহাড়ে মায়া হরিণের অবাদ বিচরণ রয়েছে যা পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক।
বিভাগীয় বন কর্মকর্তা( বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ) মোঃ আবুল কালাম বলেন আমরা প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষার পাশাপাশি বণ্যপ্রানী যাতে সাতছড়ি,রেমা কালেঙ্গা, ও লাউয়াছড়া অবাধ বিচলন করতে পারে আমরা দেখি নজর রেখে কাজ করছি। কারন বণ্যপ্রানী যত অবাধ দেখা যাবে পর্যটকদের সংখ্যা তত বাড়বে। এক্ষেত্রে বন্যপ্রানীর নিরাপত্তার দৃষ্টি রাখতে হবে।




















