শান্তিগঞ্জে দু’র্বৃ’ত্তের আগুনে পুড়ল ইউপি চেয়ারম্যানের গুদাম ঘর
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জগলুল হায়দারের গুদাম ঘরে আ’গুন লেগে পুরো গুদামঘর ভ’ষ্মি’ভূ’ত হয়ে গেছে। এতে ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষ’য়’ক্ষ’তি হয়েছে বলে জানা গেছে।
বুধবার (১২ নভেম্বর) দুপুর দেড়টায় পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের রায়পুর মহাজনবাড়ি সংলগ্ন ইউপি চেয়ারম্যানের গুদামঘরে এই অ’গ্নি’কা’ন্ডে’র ঘ’ট’না ঘটে।
স্থানীয়দের তাৎক্ষণিক ঘন্টাখানেক চেষ্টায় আ’গু’ন নিয়ন্ত্রনে আনা হয়। খবর পেয়ে পরবর্তীতে শান্তিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম ঘ’ট’না’স্থলে পৌঁছে আ’গু’ন পুরোপুরি নিভারণ করে।
অ’গ্নি’কা’ণ্ডের ঘ’ট’নাটি মানবসৃষ্ট বলে অভিযোগ করে ইউপি চেয়ারম্যান জগলুল হায়দার বলেন, ‘আমি সুনামগঞ্জে জেলা প্রশাসন আয়োজিত মিটিংয়ে ছিলাম। মুঠোফোনে খবর পেয়ে ঘ’ট’না’স্থলে এসে দেখি আমার গুদামঘর পুঁ’ড়ে একেবারে ছাঁ’ই হয়ে গেছে। গুদামঘরে প্রচুর টিন, বিলের সরঞ্জাম, সেচ পাম্পসহ মেশিনারিজ অনেক যন্ত্রপাতি ছিল। লোহার যন্ত্রপাতি ছাড়া কোনো কিছুই অবশিষ্ট নেই। এতে আমার ৫-৬ লক্ষ টাকার ক্ষ’য়ক্ষ’তি হয়েছে। এখানে বিদ্যুত বা গ্যাস সংযোগ না থাকায় বিদ্যুত বা গ্যাসের মাধ্যমে আগুন লাগার কোনো সুযোগ নেই। এই আ’গু’ন মানবসৃষ্ট। ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় হোক এই অ’গ্নি’কা’ণ্ড মানুষের দ্বারা সংগঠিত হয়েছে। আইনি তদন্তের মাধ্যমে সত্যটা বেরিয়ে আসবে আশা করি। আ’গু’ন নেভানোর কাজে যারা আন্তরিকভাবে সহযোগীতা করেছেন সবার প্রতি আমি চির কৃতজ্ঞ।’
সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আনছার উদ্দিন ঘটনাস্থলে এলে জানান, ‘চেয়ারম্যান জগলুল হায়দারের গুদামঘরে আ’গু’ন লেগে সব পুঁ’ড়ে গেছে। অনেক ক্ষ’য়’ক্ষ’তি হয়েছে। তিনি ইউপি চেয়ারম্যান হওয়ায় উপজেলা প্রশাসনের আইনশৃঙ্খলা কমিটির একজন সদস্য তিনি। তাই উপজেলা প্রশাসনকে আহ্বান করবো তারা যেন চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন।
ঘ’ট’না’স্থল পরিদর্শনকারী শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক রুবেল আহমেদ জানান, খবর পেয়ে আমরা সরেজমিনে এসেছি। পুরো গুদামঘর পুঁ’ড়ে ছাঁ’ই হয়ে গেছে। ঘ’ট’নার তদন্ত চলছে। কেউ জড়িত থাকলে আইনানুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।











