ঢাকা ০২:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গত ৭২ ঘণ্টায় গাজায় প্রাণ হারিয়েছে প্রায় ৬০০ ফিলিস্তিনি

আন্তর্জাতিক ডেক্সঃ

ইসরায়েলি আগ্রাসনে গত ৭২ ঘণ্টায় গাজায় প্রাণ হারিয়েছে প্রায় ৬০০ ফিলিস্তিনি। হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, আজ শুক্রবার সকাল পর্যন্ত এই অবরুদ্ধ উপত্যকায় নিহতের সংখ্যা ৫৯১।

আলজাজিরার তথ্যমতে, গাজার উত্তরাঞ্চলীয় শহর বাইত লাহিয়া ও দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফাহর শাবৌরা এলাকায় স্থল অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আইডিএফ। নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে নিরস্ত্র গাজাবাসীকে। বেছে বেছে বেসামরিকদের বাড়ি-ঘর আর শরণার্থীশিবিরের তাঁবু লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, এমন পরিস্থিতিতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে গাজার স্বাস্থ্যকর্মীদের। হাসপাতালগুলোতে হতাহতদের উপচে পড়া ভিড়ে দিশেহারা পরিস্থিতি তাঁদের। চিকিৎসকেরা বলছেন, এত বিপুল পরিমাণ মানুষের স্থানসংকুলান সম্ভব হচ্ছে না। তার ওপর কোনো হাসপাতালই পুরোপুরিভাবে কর্মপরিচালনা করতে পারছে না। নেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওষুধ। তাঁরা বলছেন, চিকিৎসার একেবারে মৌলিক উপাদানগুলোরও অভাব তৈরি হয়েছে। ব্যথানাশক, চেতনানাশক ও অক্সিজেনের মতো জরুরি জিনিসগুলোও নেই উপত্যকাটির হাসপাতালে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০২:৫৪:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ মার্চ ২০২৫
১৫২ বার পড়া হয়েছে

গত ৭২ ঘণ্টায় গাজায় প্রাণ হারিয়েছে প্রায় ৬০০ ফিলিস্তিনি

আপডেট সময় ০২:৫৪:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ মার্চ ২০২৫

ইসরায়েলি আগ্রাসনে গত ৭২ ঘণ্টায় গাজায় প্রাণ হারিয়েছে প্রায় ৬০০ ফিলিস্তিনি। হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, আজ শুক্রবার সকাল পর্যন্ত এই অবরুদ্ধ উপত্যকায় নিহতের সংখ্যা ৫৯১।

আলজাজিরার তথ্যমতে, গাজার উত্তরাঞ্চলীয় শহর বাইত লাহিয়া ও দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফাহর শাবৌরা এলাকায় স্থল অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আইডিএফ। নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে নিরস্ত্র গাজাবাসীকে। বেছে বেছে বেসামরিকদের বাড়ি-ঘর আর শরণার্থীশিবিরের তাঁবু লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, এমন পরিস্থিতিতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে গাজার স্বাস্থ্যকর্মীদের। হাসপাতালগুলোতে হতাহতদের উপচে পড়া ভিড়ে দিশেহারা পরিস্থিতি তাঁদের। চিকিৎসকেরা বলছেন, এত বিপুল পরিমাণ মানুষের স্থানসংকুলান সম্ভব হচ্ছে না। তার ওপর কোনো হাসপাতালই পুরোপুরিভাবে কর্মপরিচালনা করতে পারছে না। নেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওষুধ। তাঁরা বলছেন, চিকিৎসার একেবারে মৌলিক উপাদানগুলোরও অভাব তৈরি হয়েছে। ব্যথানাশক, চেতনানাশক ও অক্সিজেনের মতো জরুরি জিনিসগুলোও নেই উপত্যকাটির হাসপাতালে।