হবিগঞ্জ-৪ আসনে ৯ প্রার্থীর মধ্যে ৭ প্রার্থীই জামানত হারালেন ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৯ প্রার্থীর মধ্যে ৭ প্রার্থীই তাদের জামানত হারিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, মোট প্রদত্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশের কম ভোট পেলে প্রার্থীর জমাকৃত ৫০ হাজার টাকা জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা যায়, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রয়োজনীয় ভোটের হার অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন- আহমদ আবদুল কাদের (খেলাফত মজলিস, জামায়াত সমর্থিত), দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ২৫ হাজার ৪৩০ ভোট। মো. মুজিবুর রহমান (বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ), মই প্রতীকে পেয়েছেন ৩২৪ ভোট। রেজাউল কাওসার (ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ), আপেল প্রতীকে পেয়েছেন ৪৮১ ভোট। মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী, ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৬৪৬ ভোট। সালেহ আহমদ সাজন, স্বতন্ত্র প্রার্থী, ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৬১২ ভোট। শাহ আল আমিন (মুসলিম লীগ), হারিকেন প্রতীকে পেয়েছেন ৫৩১ ভোট। রাশেদুল ইসলাম খোকন (মুক্তিজোট), ছড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৪৭৯ ভোট।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা কয়েকজন প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ছোট দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রত্যাশিত সাড়া না পাওয়ায় উল্লেখযোগ্য ভোট সংগ্রহ করতে পারেননি। ফলে নির্ধারিত ভোটের সীমা অতিক্রম করতে ব্যর্থ হয়ে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ভোটারদের কৌশলগত ভোট প্রদান ও বড় দলগুলোর শক্ত অবস্থানের কারণে ছোট দলগুলোর প্রার্থীরা পিছিয়ে পড়েছেন।










