ঢাকা ০৩:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাঠদান অনুমতির সনদ পেলো করাঙ্গী ইসলামি একাডেমি হাই স্কুল

বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলখ্যাত ফদ্রখলা এলাকায় অবস্থিত করাঙ্গী ইসলামি একাডেমি এন্ড হাই স্কুল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠদান অনুমতির সনদ অর্জন করেছে। এতে করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানসম্মত ও যুগোপযোগী শিক্ষা বিস্তারে নতুন এক মাইলফলক স্থাপিত হলো।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) হবিগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. শাহ আলম স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিবন্ধন বিধিমালা, ২০২৩’ এর বিধি ৪-এর উপ-বিধি (৫)-এর অধীনে প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য করাঙ্গী ইসলামি একাডেমি এন্ড হাই স্কুলকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘পাঠদান অনুমতি সনদ’ প্রদান করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অবগতি ও প্রয়োজনীয় কার্যার্থে চিঠির অনুলিপি প্রেরণ করা হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক, সিলেট বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের উপপরিচালক এবং বাহুবল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে।

গত বছর একেবারেই প্রত্যন্ত এলাকায় প্রতিষ্ঠিত করাঙ্গী ইসলামি একাডেমি এন্ড হাই স্কুল অল্প সময়ের মধ্যেই এলাকাবাসীর আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছে। এখানে বাংলা, ইংরেজি ও গণিত শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে চালু রয়েছে স্পোকেন ইংলিশ ক্লাস, পাশাপাশি আনন্দঘন পরিবেশে পাঠদানের ব্যবস্থা।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মজিদ সুলতান বলেন, “সরকারি পাঠদান অনুমতি পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। আমরা হাতে-কলমে শিক্ষা প্রদান করি। পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশের জন্য গান, কবিতা আবৃত্তি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের সুযোগ করে দিই।”
তিনি আরও বলেন,
“আমাদের মূল লক্ষ্য শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল নয়, বরং শিক্ষার্থীদের আগে একজন আদর্শ ও নৈতিক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা।”

পাঠদান অনুমতির বিষয়টি নিশ্চিত করে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সিদ্দিকুর রহমান মাসুম বলেন,
“বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিবন্ধন বিধিমালা, ২০২৩-এর আওতায় সরকারিভাবে পাঠদানের স্বীকৃতি পাওয়া আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। এই স্বীকৃতির মাধ্যমে শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ আরও সুসংহত হবে। আমরা শুরু থেকেই একটি আদর্শ ও নৈতিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি।”
তিনি আরও বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুদের আধুনিক শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে এই স্বীকৃতি নতুন প্রেরণা যোগাবে।

এলাকাবাসীর মতে, করাঙ্গী ইসলামি একাডেমি এন্ড হাই স্কুল আজ শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, বরং প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুদের স্বপ্ন গড়ার এক নির্ভরতার নাম। সরকারি স্বীকৃতির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ও সুখ্যাতি আরও বিস্তৃত হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৭:২৩:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
৪৩ বার পড়া হয়েছে

পাঠদান অনুমতির সনদ পেলো করাঙ্গী ইসলামি একাডেমি হাই স্কুল

আপডেট সময় ০৭:২৩:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলখ্যাত ফদ্রখলা এলাকায় অবস্থিত করাঙ্গী ইসলামি একাডেমি এন্ড হাই স্কুল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠদান অনুমতির সনদ অর্জন করেছে। এতে করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানসম্মত ও যুগোপযোগী শিক্ষা বিস্তারে নতুন এক মাইলফলক স্থাপিত হলো।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) হবিগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. শাহ আলম স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিবন্ধন বিধিমালা, ২০২৩’ এর বিধি ৪-এর উপ-বিধি (৫)-এর অধীনে প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য করাঙ্গী ইসলামি একাডেমি এন্ড হাই স্কুলকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘পাঠদান অনুমতি সনদ’ প্রদান করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অবগতি ও প্রয়োজনীয় কার্যার্থে চিঠির অনুলিপি প্রেরণ করা হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক, সিলেট বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের উপপরিচালক এবং বাহুবল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে।

গত বছর একেবারেই প্রত্যন্ত এলাকায় প্রতিষ্ঠিত করাঙ্গী ইসলামি একাডেমি এন্ড হাই স্কুল অল্প সময়ের মধ্যেই এলাকাবাসীর আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছে। এখানে বাংলা, ইংরেজি ও গণিত শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে চালু রয়েছে স্পোকেন ইংলিশ ক্লাস, পাশাপাশি আনন্দঘন পরিবেশে পাঠদানের ব্যবস্থা।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মজিদ সুলতান বলেন, “সরকারি পাঠদান অনুমতি পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। আমরা হাতে-কলমে শিক্ষা প্রদান করি। পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশের জন্য গান, কবিতা আবৃত্তি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের সুযোগ করে দিই।”
তিনি আরও বলেন,
“আমাদের মূল লক্ষ্য শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল নয়, বরং শিক্ষার্থীদের আগে একজন আদর্শ ও নৈতিক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা।”

পাঠদান অনুমতির বিষয়টি নিশ্চিত করে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সিদ্দিকুর রহমান মাসুম বলেন,
“বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিবন্ধন বিধিমালা, ২০২৩-এর আওতায় সরকারিভাবে পাঠদানের স্বীকৃতি পাওয়া আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। এই স্বীকৃতির মাধ্যমে শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ আরও সুসংহত হবে। আমরা শুরু থেকেই একটি আদর্শ ও নৈতিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি।”
তিনি আরও বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুদের আধুনিক শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে এই স্বীকৃতি নতুন প্রেরণা যোগাবে।

এলাকাবাসীর মতে, করাঙ্গী ইসলামি একাডেমি এন্ড হাই স্কুল আজ শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, বরং প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুদের স্বপ্ন গড়ার এক নির্ভরতার নাম। সরকারি স্বীকৃতির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ও সুখ্যাতি আরও বিস্তৃত হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।


Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home2/dainikprohor/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481