ঢাকা ১১:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুনারুঘাটকে মাদকমুক্ত করতে উপজেলা বিএনপির সাঃ সম্পাদকের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়

কাজী মাহমুদুল হক সুজন:

গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জের চুনারুঘাট প্রেসক্লাবে উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক এপিপি এড.মীর সিরাজের উদ্যোগে একটি মাদক বিরোধী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত সভায় প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে তিনি দীর্ঘ সময় নিয়ে মত বিনিময় করেন। উক্ত সভায় যুবদলের দুইজন নেতাকে ও আমন্ত্রণ জানান এড.মোজাম্মেল হক ও জালাল আহমেদ কে।
তার মতে মাদকের বিরুদ্ধে এই অসম লড়াই একা লড়ে যাওয়া সম্ভব নয় এর জন্য প্রয়োজন স্পষ্টবাদী ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি সম্মিলিত প্রয়াস।
তিনি বলেন; বর্তমান সময়ে চুনারুঘাটের ক্যান্সার হলো মাদক যার দরুণ এই প্রজন্ম ভয়াবহ পরিণতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তিনি বিশ্বাস করেন না মনে করেন অনেক পুলিশ সদস্য এই ব্যবসায়ের সাথে সরাসরি জড়িত রয়েছে। কাজেই আইনশৃঙ্খলা বাহীনির লোক দিয়ে দিয়ে মাদক নির্মূল অবিশ্বাস্য এটা দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার কোনো অংশ হতে পারে না। এতে প্রয়োজন কৌশলগত সামাজিক আন্দোলন। মাদক ব্যবসায়ীর তালিকা উন্মোচন পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দেয়া এগুলো ফলপ্রসূ হবে না কারণ হিসেবে বলেন এগুলো সামাজিক বিদ্বেষ আর ব্যক্তি আক্রোশের পরিসীমার বৃদ্ধি ঘটায়। দেখা যায় দুই/তিন মাস পর বিল নিয়ে আবারো একই পথেই বরং আমাদের এমন পথে হাটতে হবে যাতে মাদক ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয় এই ব্যবসায় ছাড়তে। আইনশৃঙ্খলার বাহীনির কিছু সচেতনতামূলক মিটিং নিয়েও প্রশ্নো তুলেন বলেন মিটিং এমন হতে হবে যেখানে মিটিংএ কোনো মাদক কারবারীর উপস্থিতি যেনো না থাকে।

আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন গত কয়েক বছর আগে আহমদাবাদ ইউনিয়নে মাদকের বিরুদ্ধে রূখে দাঁড়ানো সেই রাব্বি ছেলেটা যে রাতে খুন হয় তার বাবা কি ন্যায় বিচার পেয়েছে? সাংবাদিকদের বিষয়টি খতিয়ে দেখার অনুরোধ রইল।

সর্বশেষ তিনি বলেন; আমরা সামনে আরো বড় পরিসরে বসতে চাই যেখানে রাজনৈতিক, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও সকল সাংবাদিকদের নিয়ে বৃহৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে এই সামাজিক আন্দোলন’ই সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।
আমাদের এমপি এস.এম ফয়সল সাহেব ও শাম্মী আক্তার তারাও মাদকের বিরুদ্ধে খুবই সোচ্চার এখানে কেউ রাজনৈতিক আশ্রয় -প্রশ্রয় পাওয়ার সুযোগ নেই।

মতবিনিময় সভায় সাংবাদিক সুমন জানান; আ.লীগের আমলে যারা এই ব্যবসায় জড়িত ছিলেন তারা এখনো বলবৎ রয়েছেন শুধুমাত্র তাদের সেইফটির দায়িত্ব নতুন কেউ কেউ নিয়েছেন। তিনি আরোও বলেন এই সিন্ডিকেটের এত পাওয়ার তাদের কাছে যে পুলিশ সদস্য সুবিধাজনক মনে না হবে তাকে তারা খুব দ্রুত বদলী করাতেও সক্ষম। আর বিশেষ করে রাতের বেলায় নতুন নতুন গাড়ীর আনাগোনা বেড়ে গেছে যেগুলো দেখলেই মনে হবে এগুলো সাধারণ কোনো গাড়ী নয়।

উক্ত সভায় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাঃসম্পাদক সহ ক্লাবের অন্যান্য সদস্য’রা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:২৮:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
১ বার পড়া হয়েছে

চুনারুঘাটকে মাদকমুক্ত করতে উপজেলা বিএনপির সাঃ সম্পাদকের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়

আপডেট সময় ১১:২৮:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জের চুনারুঘাট প্রেসক্লাবে উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক এপিপি এড.মীর সিরাজের উদ্যোগে একটি মাদক বিরোধী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত সভায় প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে তিনি দীর্ঘ সময় নিয়ে মত বিনিময় করেন। উক্ত সভায় যুবদলের দুইজন নেতাকে ও আমন্ত্রণ জানান এড.মোজাম্মেল হক ও জালাল আহমেদ কে।
তার মতে মাদকের বিরুদ্ধে এই অসম লড়াই একা লড়ে যাওয়া সম্ভব নয় এর জন্য প্রয়োজন স্পষ্টবাদী ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি সম্মিলিত প্রয়াস।
তিনি বলেন; বর্তমান সময়ে চুনারুঘাটের ক্যান্সার হলো মাদক যার দরুণ এই প্রজন্ম ভয়াবহ পরিণতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তিনি বিশ্বাস করেন না মনে করেন অনেক পুলিশ সদস্য এই ব্যবসায়ের সাথে সরাসরি জড়িত রয়েছে। কাজেই আইনশৃঙ্খলা বাহীনির লোক দিয়ে দিয়ে মাদক নির্মূল অবিশ্বাস্য এটা দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার কোনো অংশ হতে পারে না। এতে প্রয়োজন কৌশলগত সামাজিক আন্দোলন। মাদক ব্যবসায়ীর তালিকা উন্মোচন পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দেয়া এগুলো ফলপ্রসূ হবে না কারণ হিসেবে বলেন এগুলো সামাজিক বিদ্বেষ আর ব্যক্তি আক্রোশের পরিসীমার বৃদ্ধি ঘটায়। দেখা যায় দুই/তিন মাস পর বিল নিয়ে আবারো একই পথেই বরং আমাদের এমন পথে হাটতে হবে যাতে মাদক ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয় এই ব্যবসায় ছাড়তে। আইনশৃঙ্খলার বাহীনির কিছু সচেতনতামূলক মিটিং নিয়েও প্রশ্নো তুলেন বলেন মিটিং এমন হতে হবে যেখানে মিটিংএ কোনো মাদক কারবারীর উপস্থিতি যেনো না থাকে।

আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন গত কয়েক বছর আগে আহমদাবাদ ইউনিয়নে মাদকের বিরুদ্ধে রূখে দাঁড়ানো সেই রাব্বি ছেলেটা যে রাতে খুন হয় তার বাবা কি ন্যায় বিচার পেয়েছে? সাংবাদিকদের বিষয়টি খতিয়ে দেখার অনুরোধ রইল।

সর্বশেষ তিনি বলেন; আমরা সামনে আরো বড় পরিসরে বসতে চাই যেখানে রাজনৈতিক, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও সকল সাংবাদিকদের নিয়ে বৃহৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে এই সামাজিক আন্দোলন’ই সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।
আমাদের এমপি এস.এম ফয়সল সাহেব ও শাম্মী আক্তার তারাও মাদকের বিরুদ্ধে খুবই সোচ্চার এখানে কেউ রাজনৈতিক আশ্রয় -প্রশ্রয় পাওয়ার সুযোগ নেই।

মতবিনিময় সভায় সাংবাদিক সুমন জানান; আ.লীগের আমলে যারা এই ব্যবসায় জড়িত ছিলেন তারা এখনো বলবৎ রয়েছেন শুধুমাত্র তাদের সেইফটির দায়িত্ব নতুন কেউ কেউ নিয়েছেন। তিনি আরোও বলেন এই সিন্ডিকেটের এত পাওয়ার তাদের কাছে যে পুলিশ সদস্য সুবিধাজনক মনে না হবে তাকে তারা খুব দ্রুত বদলী করাতেও সক্ষম। আর বিশেষ করে রাতের বেলায় নতুন নতুন গাড়ীর আনাগোনা বেড়ে গেছে যেগুলো দেখলেই মনে হবে এগুলো সাধারণ কোনো গাড়ী নয়।

উক্ত সভায় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাঃসম্পাদক সহ ক্লাবের অন্যান্য সদস্য’রা উপস্থিত ছিলেন।