ঢাকা ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাজেটে চিনি-সয়াবিন তেলের দাম কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব জাতির সামনে উপস্থাপন করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। বাজেটে চিনি-সয়াবিন তেলের দাম কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
সোমবার (২ জুন) বিকালে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও অন্যান্য বেসরকারি গণমাধ্যমে একযোগে বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন অর্থ উপদেষ্টা।
এটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রথম বাজেট। এর আগে ২০০৭-০৮ ও ২০০৮-০৯ অর্থবছরের বাজেট টেলিভিশন ও বেতারের মাধ্যমে ঘোষণা করেছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা এবি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলাম।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঋণপত্রে উৎসে কর এক শতাংশ থেকে .০৫ শতাংশ করা হয়েছে উল্লেখ করে বাজেট বক্তব্যে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন জানান, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে উৎসে কর রাজস্ব আদায়ে কিংবা পণ্যের দামের ক্ষেত্রে বড় কোনো প্রভাব রাখে না।

তবুও এক শ্রেণির ব্যবসায়ী এই উৎসে করের অজুহাতে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আসন্ন বাজেটে উৎসে কর বা সোর্স ট্যাক্স কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় রাখতে স্থানীয় ঋণপত্রের কমিশনের উৎসে কর কমিয়ে অর্ধেক করা হচ্ছে। বর্তমানে ১ শতাংশ উৎসে কর রয়েছে। যা করা হয়েছে .০৫।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৫:২৪:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫
১৬৩ বার পড়া হয়েছে

বাজেটে চিনি-সয়াবিন তেলের দাম কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

আপডেট সময় ০৫:২৪:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

 

২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব জাতির সামনে উপস্থাপন করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। বাজেটে চিনি-সয়াবিন তেলের দাম কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
সোমবার (২ জুন) বিকালে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও অন্যান্য বেসরকারি গণমাধ্যমে একযোগে বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন অর্থ উপদেষ্টা।
এটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রথম বাজেট। এর আগে ২০০৭-০৮ ও ২০০৮-০৯ অর্থবছরের বাজেট টেলিভিশন ও বেতারের মাধ্যমে ঘোষণা করেছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা এবি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলাম।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঋণপত্রে উৎসে কর এক শতাংশ থেকে .০৫ শতাংশ করা হয়েছে উল্লেখ করে বাজেট বক্তব্যে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন জানান, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে উৎসে কর রাজস্ব আদায়ে কিংবা পণ্যের দামের ক্ষেত্রে বড় কোনো প্রভাব রাখে না।

তবুও এক শ্রেণির ব্যবসায়ী এই উৎসে করের অজুহাতে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আসন্ন বাজেটে উৎসে কর বা সোর্স ট্যাক্স কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় রাখতে স্থানীয় ঋণপত্রের কমিশনের উৎসে কর কমিয়ে অর্ধেক করা হচ্ছে। বর্তমানে ১ শতাংশ উৎসে কর রয়েছে। যা করা হয়েছে .০৫।